Eng
জাতীয়, ঢাকা, লিড নিউজ

২০২৭ সালে সরকারি ছুটি ২৯ দিন, অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা

প্রকাশিত: , ৩ নভেম্বর ২০২৬ | ৯:৩০ অপরাহ্ণ




ক্রাইম এডিশন অনলাইন:

২০২৭ সালের জন্য মোট ২৯ দিনের সরকারি ছুটির তালিকা অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। জাতীয় দিবস, ধর্মীয় উৎসব ও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আগামী বছর সরকারি চাকরিজীবীরা এসব ছুটি ভোগ করবেন। অনুমোদিত তালিকায় সাধারণ ছুটি ও নির্বাহী আদেশে ঘোষিত ছুটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। এর আগে বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকেই ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুমোদন দেওয়া হয়।
মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগামী বছরের জন্য ১৫ দিন সাধারণ ছুটি নির্ধারণ করা হয়েছে। জাতীয় দিবস ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এসব ছুটি রাখা হয়েছে। সাধারণ ছুটির তালিকায় থাকা চার দিন সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে মিলে গেছে। এর মধ্যে দুটি শুক্রবার ও দুটি শনিবার রয়েছে।

সব মিলিয়ে ১৫ দিন সাধারণ ছুটি এবং ১৪ দিন নির্বাহী আদেশের ছুটি ধরে ২০২৭ সালে মোট সরকারি ছুটি দাঁড়িয়েছে ২৯ দিন। তবে সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে মিলে যাওয়া দিনগুলো বাদ দিলে ছুটির কার্যকর সংখ্যা কমে আসবে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিবের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ২০২৭ সালে সাপ্তাহিক ছুটি সাত দিন এবং সাধারণ ও নির্বাহী আদেশের ছুটির তালিকায় থাকা সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলো হিসাব সমন্বয় করে মোট ২২ দিন ছুটি পাওয়া যাবে। অর্থাৎ শুক্রবার ও শনিবারের নিয়মিত ছুটির সঙ্গে সরকারি ছুটির দিন মিলে যাওয়ায় কার্যকর ছুটির সংখ্যা ২২ দিন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সরকারি কর্মচারীদের জন্য ঐচ্ছিক ছুটির ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালনের জন্য একজন সরকারি কর্মচারী বছরে সর্বোচ্চ তিন দিন ঐচ্ছিক ছুটি নিতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় পর্ব অনুযায়ী ছুটি ভোগের সুযোগ থাকবে।
এদিকে পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় কর্মরত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সরকারি কর্মচারীদের জন্যও বিশেষ ঐচ্ছিক ছুটির সুযোগের কথা জানানো হয়েছে। তাদের প্রধান সামাজিক উৎসব বৈসাবি অথবা একই ধরনের উৎসব উদযাপনের জন্য দুই দিন ঐচ্ছিক ছুটি দেওয়া হবে।

সরকারি ছুটির তালিকা অনুমোদনের ফলে সরকারি দপ্তরগুলোর আগামী বছরের কর্মপরিকল্পনা, দাপ্তরিক কার্যক্রম এবং ব্যক্তিগত ছুটি পরিকল্পনায় আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। ছুটির দিনগুলো সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে মিলে যাওয়ায় বছরজুড়ে ছুটির প্রকৃত বিন্যাসও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।