Eng
অপরাধ, জামালপুর, ঢাকা, নিজস্ব প্রতিবেদক, লিড নিউজ

গুলশান থেকে সাবেক এমপি নুর মোহাম্মদ আটক

প্রকাশিত: , ২৮ জুন ২০২৬ | ১:১৭ অপরাহ্ণ




নিজস্ব প্রতিবেদক:

ঢাকার গুলশান এলাকা থেকে জামালপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নুর মোহাম্মদকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে। শনিবার (২৭ জুন) রাতের দিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাকে আটক করেন বলে বিভিন্ন সূত্রে তথ্য পাওয়া গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, রাজধানীর অভিজাত গুলশান এলাকা থেকে তাকে হেফাজতে নেওয়ার পর ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে আটকের পেছনে সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।

ডিবি সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, সাবেক এই সংসদ সদস্য বর্তমানে রাজধানীর মিন্টো রোডে অবস্থিত গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে রয়েছেন। সেখানে তাকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বিস্তারিত বিবৃতি তখনও প্রকাশ করা হয়নি।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্র জানায়, নুর মোহাম্মদকে ঘিরে বিভিন্ন তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তবে তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ মুহূর্তে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশে অনাগ্রহী বলে জানা গেছে।

স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। জামালপুর-১ আসনের সাবেক এই জনপ্রতিনিধিকে আটকের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা দেখা যায়। তবে তদন্ত চলমান থাকায় বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের গুঞ্জন বা অনির্ভরযোগ্য তথ্য প্রচার না করার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল।

বিশ্লেষকদের মতে, কোনো ব্যক্তিকে আটক করার পর তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই হওয়া প্রয়োজন। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দোষী বা নির্দোষ হিসেবে চূড়ান্তভাবে বিবেচনা করা সমীচীন নয়।

এদিকে নুর মোহাম্মদের আটকের ঘটনায় তার পরিবারের পক্ষ থেকে কিংবা আইনজীবীদের মাধ্যমে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য জানা যায়নি। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা, অভিযোগ বা তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে কি না, সে সম্পর্কেও কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের অপেক্ষা করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যমতে, সাবেক সংসদ সদস্য নুর মোহাম্মদকে গোয়েন্দা পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে পরবর্তী আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের অপেক্ষা করা হচ্ছে।