রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে আম বিক্রি বাধাগ্রস্তের অভিযোগ তুললেন আমজনতার তারেক

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত হয়রানি চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন আমজনতার দলের সদস্য সচিব মোঃ তারেক রহমান। তার দাবি, আম বিক্রি বন্ধ করতে একটি পক্ষ সংগঠিতভাবে নানা ধরনের অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।
শনিবার (১৬ মে) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, কয়েকটি গ্রুপ ও পেজে তার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর ছড়িয়ে দিয়ে তাকে বিব্রত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় তিনি জামায়াত-শিবির সংশ্লিষ্ট কিছু ব্যক্তিকে দায়ী করেছেন বলেও পোস্টে উল্লেখ করেন।
তারেক রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, একাধিকবার পরিকল্পিতভাবে তার আম বিক্রির কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা হয়েছে। তিনি বলেন, বিভিন্ন কৌশলে বিক্রি থামানোর চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর এখন ব্যক্তিগতভাবে হয়রানির পথ বেছে নেওয়া হয়েছে বলে তিনি মনে করছেন। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও জানান, যারা আম কিনতে আগ্রহী তারা যেন সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করেন। এ সময় তিনি চলতি মৌসুমের “হিমসাগর” আমের মান নিয়েও ইতিবাচক মন্তব্য করেন। তার দাবি, ক্রেতাদের জন্য ভালো মানের আম সরবরাহ করার চেষ্টা করছেন তিনি।
রাজনৈতিক অঙ্গনের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। কেউ কেউ এটিকে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার অংশ হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকে বলছেন—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত নম্বর প্রকাশ করে হয়রানি করা অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনৈতিক। তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে এখনও বিস্তারিত তদন্ত বা আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম রাজনৈতিক বক্তব্য, ব্যবসায়িক প্রচারণা এবং ব্যক্তিগত যোগাযোগের বড় একটি প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠেছে। ফলে এখানে কোনো ব্যক্তির তথ্য প্রকাশ বা অপব্যবহার নিয়ে অভিযোগ উঠলে তা দ্রুত আলোচনায় আসে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা থাকলে ঘটনাগুলো আরও বেশি মনোযোগ পায়।
এদিকে, আমের মৌসুমকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অনলাইনভিত্তিক আম বিক্রির প্রবণতা বাড়ছে। অনেক উদ্যোক্তা সরাসরি ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ক্রেতাদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। এর মধ্যে রাজনৈতিক পরিচিত ব্যক্তিদের ব্যবসায়িক উদ্যোগ নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা তৈরি হচ্ছে।
ঘটনার সত্যতা ও অভিযোগের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে দায়িত্বশীল আচরণেরও আহ্বান জানিয়েছেন অনেকে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© ২০২৬ ক্রাইম এডিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Theme Customized By BreakingNews