শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পরীক্ষা মিস করা শিক্ষার্থীরা পাবেন পুনঃপরীক্ষার সুযোগ পদত্যাগের পরও যেসব রাষ্ট্রীয় সুবিধা পেতে পারেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতি অপসারণ ইস্যুতে ডাঃ মাহমুদা মিতুর ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিতর্ক অবশেষে রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলেন, শুরু নতুন সাংবিধানিক অধ্যায় জামায়াত ফেরেশতার দল নয়, আত্মসমালোচনার আহ্বান শফিকুর রহমানের রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে গুজব এড়িয়ে অপেক্ষার আহ্বান ফখরুলের ফেনীর ফ্ল্যাটে কিশোরী গৃহকর্মীর ঝু/লন্ত ম/রদে/হ উদ্ধার ঘটনায় তদন্ত বহিষ্কারের পর নজরুলকে ঘিরে নতুন বিতর্ক, ভিডিও নিয়ে আলোচনা তীব্র রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ ঘিরে জোর আলোচনা, সিদ্ধান্ত আসতে পারে শিগগিরই ফ্যাসিবাদের শেষ চিহ্ন মুছতে আন্দোলন চলবে, ডাঃ শফিকুর রহমান

ঢাকার স্থানীয় বিরোধ মেটাতে গিয়ে প্রাণ হারালেন সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬

মালিবাগ-মৌচাক এলাকায় একটি স্থানীয় বিরোধ নিষ্পত্তির সালিশ বৈঠককে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় সাবেক এক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (৮ জুন) রাতের দিকে রাজধানীর মৌচাক এলাকার আনারকলি মার্কেট সংলগ্ন একটি গলিতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

নিহত ব্যক্তি বিল্লাল হোসেন তালুকদার (৫৭) নামে পরিচিত। স্থানীয় সূত্রের দাবি, তিনি রমনা থানার ১৯ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক ছিলেন।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, এলাকায় চলমান একটি বিরোধের সমাধানের লক্ষ্যে রাতে একটি সালিশি বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সেই বৈঠকে অংশ নিতে বিল্লাল হোসেন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন বলে জানা গেছে। একপর্যায়ে বৈঠকে উপস্থিত কয়েকজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয় এবং পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, কথা কাটাকাটির পর দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এ সময় কয়েকজন দুর্বৃত্ত আকস্মিকভাবে হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে বিল্লাল হোসেনকে আঘাত করে বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন।
আহত অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে হাসপাতাল-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে কাজ শুরু করেছেন বলে জানা গেছে। পুলিশ সূত্রের দাবি, হত্যাকাণ্ডের পেছনে পূর্ব বিরোধ, ব্যক্তিগত শত্রুতা অথবা সালিশ বৈঠকের তাৎক্ষণিক উত্তেজনা—কোন বিষয়টি মূল কারণ ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ঘটনার সময় আশপাশে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে জড়িতদের শনাক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, নিহত বিল্লাল হোসেন অতীতে একটি ভাঙচুর ও হামলার মামলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই ঘটনার পর দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল বলেও বিভিন্ন সূত্র দাবি করেছে। তবে বর্তমান হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে পূর্বের কোনো ঘটনার সম্পর্ক রয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সব দিক গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© ২০২৬ ক্রাইম এডিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Theme Customized By BreakingNews