বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গণতন্ত্র ফিরেছে, তবে এর মূল্য ছিল অনেক বেশি:রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তা হলেন নবাব হোসেন ওমানে যাচ্ছে বাংলাদেশের ১০ হাজার কৃষক মৎস্যজীবী জুলাই জাদুঘর ঘুরে আবেগাপ্লুত রাষ্ট্রপতি, স্মরণ করলেন শহীদদের বরিশালে ময়লার স্তূপে মিলল দুই নবজাতকের নিথর দেহ পারকি সৈকতের বালুচরে বাইক, দুইজনকে জরিমানা টাঙ্গাইলে দুর্বৃত্তদের হামলায় সাময়িক বরখাস্ত আনসার সদস্য নিহত রায়পুরায় ৩ হত্যা মামলার আসামি হান্নান ও নুরুল ইসলাম গ্রেপ্তার ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার আশ্বাসে টাকা নেওয়ার অভিযোগ, এনসিপি নেত্রী আটক জামিনে কারামুক্ত হলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের স্ত্রী বিদিশা

মেগা প্রকল্পের ব্যয় যাচাই করবে ডা. তাহের

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ক্রাইম এডিশন অনলাইন:

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নেওয়া বিভিন্ন মেগা প্রকল্পের পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নেওয়া উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর ব্যয় ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াও পর্যালোচনার আওতায় আসতে পারে বলে জানা গেছে। সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং সম্ভাব্য অনিয়ম বা অপচয় শনাক্ত করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টদের বরাত দিয়ে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে সরকারি হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি ও বিরোধীদলীয় উপনেতা ড. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি বিভিন্ন সরকারের সময়ে নেওয়া উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় ও হিসাব খতিয়ে দেখার বিষয়ে কমিটির অবস্থান তুলে ধরেন।
কমিটি সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের প্রকল্পগুলোর পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গৃহীত বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পও পর্যায়ক্রমে পর্যালোচনা করা হতে পারে। বর্তমান সরকারের মেয়াদ এক বছর পূর্ণ হওয়ার পর বর্তমান সরকারের নেওয়া প্রকল্পগুলোও নিরীক্ষার আওতায় আসতে পারে বলে জানা গেছে।
প্রথম বৈঠকেই ‘বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়’ সংশ্লিষ্ট একটি প্রকল্পের অডিট প্রতিবেদন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানান ড. তাহের। ওই প্রতিবেদনে আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে অন্তত আটটি অডিট আপত্তি উত্থাপনের কথা জানা গেছে।
অডিট প্রতিবেদনে ওঠা বিষয়গুলো আরও গভীরভাবে যাচাই করতে একটি সাব-কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানান কমিটির সভাপতি। অভিযোগগুলোর মাত্রা, প্রকৃত ঘটনা এবং সংশ্লিষ্ট আর্থিক ব্যবস্থাপনা যাচাই করে ওই সাব-কমিটি প্রতিবেদন দিতে পারে। পরবর্তী সময়ে তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।
সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা কমিটির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেন ড. তাহের। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সংসদীয় নজরদারি জোরদার করা গেলে সরকারি অর্থের অপচয় ও সম্ভাব্য দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখা সম্ভব হতে পারে।
তবে যেসব প্রকল্প বা ব্যয়ের বিষয়ে অডিট আপত্তি রয়েছে, সেগুলোর ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র, হিসাব ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করা হবে বলে জানা গেছে। ফলে অডিটে আপত্তি ওঠা মানেই অনিয়ম বা দুর্নীতি প্রমাণিত হয়েছে—এমনটি ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই। তদন্ত ও যাচাই শেষে প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হতে পারে।
সরকারি হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির এ উদ্যোগের মাধ্যমে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থ ব্যয়ের স্বচ্ছতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতে প্রকল্প বাস্তবায়নে জবাবদিহি আরও শক্তিশালী হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা রয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

শুক্র শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০  

© ২০২৬ ক্রাইম এডিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট