
ক্রাইম এডিশন অনলাইন:
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বেতারের সামনের সড়কে পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দিবাগত রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় কেউ আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানার আওতাধীন এলাকায় বাংলাদেশ বেতারের সামনের সড়কের ইউটার্নে বিস্ফোরণ দুটি ঘটে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, অজ্ঞাত ব্যক্তিরা পরপর ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সেখান থেকে চলে যায় বলে জানা গেছে।
ঘটনার বিষয়টি জানিয়েছেন তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) ও সেকেন্ড ইন কমান্ড (টুআইসি) মো. ফজলুল হক। বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থলে কেউ আহত হয়েছেন কি না, সে বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হয়। এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
একই দিনে রাজধানীর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ভবনের সামনেও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার বিকেলে বিটিভি ভবনের সামনে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই ঘটনাতেও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে, রাজধানীর মিরপুরে ককটেল বিস্ফোরণের আরেক ঘটনায় পাপন নামে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন। বিস্ফোরণের পর তাঁর শরীরে আগুন ধরে যায় বলে জানা গেছে। এতে তাঁর শরীরের প্রায় ২০ শতাংশ পুড়ে গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আহত ওই ব্যক্তিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে।
একই দিনে রাজধানীর একাধিক স্থানে বিস্ফোরণের ঘটনা জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশেষ করে বিটিভি ভবন ও বাংলাদেশ বেতারের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের আশপাশে এ ধরনের ঘটনা ঘটায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার প্রয়োজন রয়েছে।
তবে আগারগাঁওয়ে বিস্ফোরণের সঙ্গে বিটিভি ভবনের সামনের ঘটনা কিংবা মিরপুরের বিস্ফোরণের মধ্যে কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে নিশ্চিত কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। বিস্ফোরণের পেছনে কারা জড়িত, কী উদ্দেশ্যে এসব ঘটনা ঘটানো হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের শনাক্তে কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, সে সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।




