1. info@crimeedition.com : Crime Edition : Crime Edition
  2. masud399340@gmail.com : ক্রাইম এডিশন : ক্রাইম এডিশন
মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুড়িগ্রামে ভাই’ ডাকায় চটলেন এসিল্যান্ড, সাংবাদিকের সঙ্গে উত্তেজনা দ্রব্যমূল্য বাড়ার শঙ্কা, চাপ সামলাতে হিমশিম সরকার লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে মধ্য গোপালরায় শিক্ষক বুলুর বিদায়ে ভিন্নধর্মী সম্মান প্রদর্শন মামুনুল হকের অভিযোগ—বিএনপির রাজনীতি সুবিধাবাদ ও দ্বিচারিতার হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক খাদ্যমন্ত্রীর জামিন, আদালতের সিদ্ধান্ত রাজধানীতে চাঁদাবাজির অভিযোগে বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার হাদি হত্যা মামলার পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন আবার পেছালো, নতুন তারিখ নির্ধারণ ঘুষ প্রস্তাবের অভিযোগে নাম প্রকাশে আমির হামজাকে আইনি নোটিশ ময়মনসিংহে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে বিতর্কিত পোস্ট শেয়ার: গ্রেপ্তার এক ব্যক্তি ভুয়া অর্ডারে ক্ষতির অভিযোগ, জামায়াতকে দোষ দিলেন আম জনতার তারেক

জুলকারনাইন সায়েরের পোস্টে সাংবাদিকদের রাজনৈতিক শুভেচ্ছা বিতর্ক

ক্রাইম এডিশন, ডেস্ক রিপোর্ট:
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

গত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ কিছু ছবি ছড়িয়েছে, যেখানে দেখা গেছে বিভিন্ন জেলার সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ নিজ জেলার সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রিত্বে থাকা ব্যক্তিদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। কেউ আবার পুরো পরিবারসহ উপস্থিত থেকে রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি শ্রদ্ধা বা আনুগত্য প্রকাশ করছেন।
জুলকারনাইন সায়ের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এই বিষয়টি নিয়ে তিনি একটি পোস্ট করেন। তার পোস্টে তুলে ধরা হয়েছে, সাংবাদিক পরিচয় থাকা সত্ত্বেও এই ধরনের পদক্ষেপ কি পেশার মর্যাদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তিনি লিখেছেন, দলবল বেঁধে, নিজ পরিবারসহ রাজনৈতিক নেতাদের চরনে লুটিয়ে দেওয়া মানেই কি সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতার প্রতি অমনোযোগী হওয়া নয়?
অনেকেই মন্তব্য করছেন, এই ধরনের ফুলভরা শুভেচ্ছা সাংবাদিকদের রাজনৈতিক প্রভাবপ্রাপ্তির প্রকাশ, যা পেশাগত নৈতিকতার সঙ্গে যায় না। সাংবাদিকের কাজ হলো সত্য উদঘাটন ও সমাজের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য পৌঁছে দেওয়া, কোনো রাজনৈতিক নেতার চরনে নিজেকে নিবেদিত করা নয়।
অন্যদিকে, জুলকারনাইন সায়ের পোস্টে উল্লেখ করেছেন, সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এক প্রেস সচিবকে সম্প্রতি একটি পত্রিকায় সম্পাদক হিসেবে যোগ দিতে দেখা গেছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, ওই পত্রিকাটি প্রকাশিত হচ্ছে সাবেক সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির অর্থায়নে। যদি সত্যিই তাই হয়, তাহলে সাবেক প্রেস সচিবকে কঠোর প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, তার সময়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে কাদের সহায়তায় দুর্নীতির মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, কেন মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে, এবং সেই প্রক্রিয়ায় তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় কতটা জড়িত ছিল—এসব প্রশ্ন উঠে আসতে পারে।
জুলকারনাইন সায়ের মন্তব্য অনুযায়ী, সাংবাদিক হিসেবে মর্যাদার আসনে থাকা অবস্থায় এই পদক্ষেপ কিছুটা বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। তবে তিনি আশাবাদী, পেশাগত নৈতিকতা ও সততা বজায় রেখে অন্যান্য সাংবাদিকরা নিজেকে টেনে নামানোর প্রয়োজন অনুভব করবেন না।
এই ধরনের ঘটনা পাঠক সমাজ ও সাধারণ জনগণের মধ্যে প্রশ্ন তুলেছে। সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখা প্রতিটি সাংবাদিকের দায়িত্ব। রাজনৈতিক নেতাদের চরনে আত্মসমর্পণ বা ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে পেশাগত নীতি বিসর্জন দেওয়া সমালোচনার মুখে ফেলে।
জুলকারনাইন সায়ের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজের পোস্টের মাধ্যমে এই বিতর্কিত বিষয়টি আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে, যেখানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিগুলো পাঠক ও সাংবাদিক সমাজের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া উদ্রেক করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© ২০২৫-২০২৬, ক্রাইম এডিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই সাইটের সমস্ত লেখা, ছবি ও কনটেন্ট কপিরাইট আইনের আওতায়। অনুমতি ছাড়া কপি, ব্যবহার বা পুনঃপ্রকাশ নিষিদ্ধ। স্বত্বাধিকার দাবি থাকলে অনুগ্রহ করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। যথাযথ যাচাই-বাছাই ও প্রমাণ সাপেক্ষে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কনটেন্ট অপসারণ করা হবে।

Theme Customized BY LatestNews