শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০২:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নরসিংদীতে আলোচিত শিশুর পা মুচড়ে দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত চাচি গ্রেপ্তার গাইবান্ধায় জয়বাংলা স্লোগান দিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন এনসিপি নেতা আজ রাতেই ১৬ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা, টানা বৃষ্টির সতর্কবার্তা জারি দিল্লির হাতেই দেশের সকল গন্ডগোলের রিমোট-কন্ট্রোল, দাবি গোলাম পরওয়ারের নবম ওয়েজ বোর্ড ছাড়া সাংবাদিক নিরাপত্তা অসম্ভব, বললেন তথ্যমন্ত্রী ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে মৃত পাঁচ হাজারের কাছাকাছি, নিখোঁজ ৫০ হাজার চট্টগ্রাম বোর্ডের অবশিষ্ট এইচএসসি পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত সকাল ৯টার আগে ১০ জেলায় ঝড়ের আশঙ্কা জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর ১১২ কোটি টাকার চেক মামলায় জামিন পেলেন সালমান এফ রহমান অতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ অভিযোগে তিন খাদ্যপণ্য বিক্রি বন্ধের নির্দেশ

নরসিংদীতে আলোচিত শিশুর পা মুচড়ে দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত চাচি গ্রেপ্তার

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নরসিংদীতে দুই মাস বয়সী এক শিশুকে নির্যাতনের অভিযোগে আলোচিত ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই ২০২৬) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ এলাকা থেকে র‍্যাব-১১ অভিযান চালিয়ে ফারজানা আক্তার লতা বেগম (৩২) নামে ওই নারীকে আটক করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং শিশুটির প্রতি নির্যাতনের অভিযোগে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ওঠে।

র‍্যাব-১১ নরসিংদী ক্যাম্পের কমান্ডার মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করা হয়। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয় এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়। পরে রূপগঞ্জ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে অভিযুক্তকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাধবদী থানায় হস্তান্তর করা হবে। তদন্তের স্বার্থে ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

জানা গেছে, এর আগে গত ১৪ জুলাই ২০২৬ নরসিংদীর মাধবদী থানায় প্রবেশন কর্মকর্তা রিজা আক্তার বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রধান আসামি হিসেবে লতা বেগমের নাম উল্লেখ করা হয়। এছাড়া তার স্বামী কাউছার আহমেদ এবং বাবা আলমাছ মিয়াকেও আসামি করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, ঘটনার পর প্রধান অভিযুক্ত আত্মগোপনে চলে যান। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রযুক্তিগত তথ্য ও গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে তার অবস্থান শনাক্ত করে। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদিকে, মামলার অন্য দুই আসামি—অভিযুক্তের স্বামী ও বাবাকে এরই মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। অনেকেই শিশুর প্রতি এমন আচরণের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। মানবাধিকারকর্মীরাও শিশু নির্যাতনের অভিযোগকে গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তবে মামলাটি এখনও তদন্তাধীন। অভিযোগের বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত রায় না আসা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সবাই আইনগতভাবে নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হবেন। তদন্ত শেষে আদালতের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নির্ধারিত হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

শুক্র শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  

© ২০২৬ ক্রাইম এডিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

Theme Customized By BreakingNews