1. info@crimeedition.com : Crime Edition : Crime Edition
  2. masud399340@gmail.com : ক্রাইম এডিশন : ক্রাইম এডিশন
মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুড়িগ্রামে ভাই’ ডাকায় চটলেন এসিল্যান্ড, সাংবাদিকের সঙ্গে উত্তেজনা দ্রব্যমূল্য বাড়ার শঙ্কা, চাপ সামলাতে হিমশিম সরকার লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে মধ্য গোপালরায় শিক্ষক বুলুর বিদায়ে ভিন্নধর্মী সম্মান প্রদর্শন মামুনুল হকের অভিযোগ—বিএনপির রাজনীতি সুবিধাবাদ ও দ্বিচারিতার হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক খাদ্যমন্ত্রীর জামিন, আদালতের সিদ্ধান্ত রাজধানীতে চাঁদাবাজির অভিযোগে বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার হাদি হত্যা মামলার পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন আবার পেছালো, নতুন তারিখ নির্ধারণ ঘুষ প্রস্তাবের অভিযোগে নাম প্রকাশে আমির হামজাকে আইনি নোটিশ ময়মনসিংহে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে বিতর্কিত পোস্ট শেয়ার: গ্রেপ্তার এক ব্যক্তি ভুয়া অর্ডারে ক্ষতির অভিযোগ, জামায়াতকে দোষ দিলেন আম জনতার তারেক

সড়কে অর্থ আদায় নিয়ে মন্ত্রীর মন্তব্য ঘিরে প্রশ্ন তুললেন তাসনিম জারা

ক্রাইম এডিশন অনলাইন
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

সড়কে চাঁদা আদায় প্রসঙ্গে সড়ক পরিবহন মন্ত্রীর সাম্প্রতিক মন্তব্য ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তিনি এ প্রক্রিয়াকে “সমঝোতা” বা “অলিখিত বিধি” হিসেবে উল্লেখ করেছেন বলে জানা গেছে। তবে এই বক্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। বিশেষ করে চিকিৎসক ও আলোচক ডা. তাসনিম জারা তাঁর অফিসিয়াল ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে একটি প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

ডা. তাসনিম জারা তাঁর পোস্টে অভিযোগ করেন, যেটিকে “সমঝোতা” বলা হচ্ছে, তা বাস্তবে অনেক চালকের জন্য বাধ্যতামূলক একটি অর্থপ্রদান প্রক্রিয়া। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, নির্দিষ্ট রুটে গাড়ি চালাতে গেলে চালকদের একটি নির্দিষ্ট সংগঠন বা পক্ষকে অর্থ দিতে হয়—এমন অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই রয়েছে। একে “সমঝোতা” হিসেবে আখ্যা দেওয়া হলে তা একটি অনিয়মকে পরোক্ষভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার শামিল হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের অর্থ আদায়ের প্রভাব সরাসরি সাধারণ মানুষের ওপর পড়ে। বাসভাড়া বৃদ্ধি কিংবা পণ্য পরিবহনের অতিরিক্ত খরচের পেছনে এ ধরনের অনানুষ্ঠানিক লেনদেন ভূমিকা রাখছে—এমন অভিযোগ বিভিন্ন সময় উঠেছে। পণ্যবাহী ট্রাক থেকে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হলে তার প্রভাব বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের ওপরও পড়ে বলে তিনি দাবি করেন। ফলে শেষ পর্যন্ত ভোক্তা ও যাত্রীদেরই বাড়তি অর্থ গুনতে হয়।

মন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন—“যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে, তাদের আধিপত্য থাকে”—এই বক্তব্যের অর্থ কী? এর মাধ্যমে কি রাজনৈতিক প্রভাবের বিষয়টি স্বীকার করা হয়েছে, নাকি এটি কেবল সাধারণ পর্যবেক্ষণ—এ বিষয়ে পরিষ্কার ব্যাখ্যা প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তাঁর প্রতিক্রিয়ায় প্রস্তাবও রাখা হয়। যদি মালিক বা শ্রমিক সমিতির কল্যাণ তহবিলের জন্য অর্থের প্রয়োজন হয়, তাহলে তা যেন স্বচ্ছ ও প্রাতিষ্ঠানিক উপায়ে সংগ্রহ করা হয়। ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে লেনদেন, বা বার্ষিক নিবন্ধন ফি-র সঙ্গে নির্ধারিত অর্থ যুক্ত করার মতো পদ্ধতি অনুসরণ করা যেতে পারে বলে মত দেন তিনি। এতে করে অনিয়ম ও অভিযোগের সুযোগ কমবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, সড়ক থেকে যে বিপুল অঙ্কের অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে, তার পূর্ণাঙ্গ অডিট হওয়া উচিত। এই অর্থ কোথায় ব্যয় হচ্ছে এবং কার কল্যাণে ব্যবহৃত হচ্ছে—তা প্রকাশ করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি। সাধারণ চালক-শ্রমিকের স্বার্থ রক্ষা হচ্ছে কি না, সেটিও স্পষ্ট হওয়া দরকার বলে তিনি মনে করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর এই বক্তব্য ঘিরে ব্যাপক আলোচনা দেখা গেছে। অনেকে তাঁর বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন, আবার কেউ কেউ ভিন্নমতও প্রকাশ করেছেন। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহল থেকে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যার অপেক্ষা করছেন অনেকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© ২০২৫-২০২৬, ক্রাইম এডিশন, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই সাইটের সমস্ত লেখা, ছবি ও কনটেন্ট কপিরাইট আইনের আওতায়। অনুমতি ছাড়া কপি, ব্যবহার বা পুনঃপ্রকাশ নিষিদ্ধ। স্বত্বাধিকার দাবি থাকলে অনুগ্রহ করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। যথাযথ যাচাই-বাছাই ও প্রমাণ সাপেক্ষে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কনটেন্ট অপসারণ করা হবে।

Theme Customized BY LatestNews