
অনলাইন সংবাদ মাধ্যম ডেইলি ক্যাম্পাস পত্রিকার সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি শিহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করে মানহানি করার অভিযোগ তুলেছেন সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও বর্তমান পাবনা এডওয়ার্ড কলেজের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান মো: আমিনুল ইসলাম। একই সঙ্গে উক্ত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট একটি লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন তিনি।
আবেদনে ১৪তম বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের ওই প্রবীণ অধ্যাপক অভিযোগ করেন, সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজে অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনকালীন সময় থেকেই সাংবাদিক শিহাব উদ্দিন ব্যক্তিগত ও অনৈতিক সুবিধা হাসিলের উদ্দেশ্যে তার বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে বানোয়াট তথ্য ছড়াতে থাকেন। বিগত ২৪ আগস্ট ২০২৫ তারিখে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অনুষ্ঠিত একটি গণশুনানিতে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো ইতোমধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো কারণ দর্শানোর নোটিশেরও তিনি যথাযথ প্রমাণসহ জবাব দিয়েছেন। এই সমস্ত আইনি প্রক্রিয়ায় নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ার পরও ওই সাংবাদিক অবৈধ সুযোগ-সুবিধা দাবি করে আসছেন এবং তাতে নতিস্বীকার না করায় ক্ষিপ্ত হয়ে সামাজিক ও পেশাগতভাবে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদন প্রকাশ করে চলেছেন।
আবেদনপত্রে ওই শিক্ষক আরও উল্লেখ করেন, বিগত সরকারের আমলে দীর্ঘ সময় রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও বৈষম্যের শিকার হওয়া সত্ত্বেও তিনি সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে এসেছেন। সম্প্রতি একটি মহল কর্তৃক কৃত্রিম বিশৃঙ্খলা বা ‘মব’ সৃষ্টি করে তাকে পাবনার সরকারি এডওয়ার্ড কলেজে বদলি করা হয়েছিল। পরবর্তীতে পারিবারিক কারণে সিরাজগঞ্জের কাছাকাছি থাকার উদ্দেশ্যে আবেদন করলে তাকে টাঙ্গাইলের সরকারি ইব্রাহিম খাঁ কলেজে পদায়ন করা হয়। নতুন কর্মস্থলে যোগদানের প্রক্রিয়া চলাকালীন সময়েও উক্ত সাংবাদিক তাকে পুনরায় হেনস্তা করার উদ্দেশ্যে উঠেপড়ে লেগেছেন বলে তিনি দাবি করেন। একজন প্রবীণ শিক্ষাবিদ হিসেবে কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, সম্মান ও নির্বিঘ্নে দায়িত্ব পালনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ এবং এ বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া অত্যন্ত জরুরি বলে মনে হয়। প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।